Ekattorer Kotha
বৃহস্পতিবার , ২৬ মার্চ ২০২৬ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

                       

মার্চ ২৬, ২০২৬
                   

একাত্তর ডেস্ক ::
বাঙালি জাতির গৌরবময় ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিন আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ, নির্যাতন ও ভাষা-সংস্কৃতির ওপর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাঙালিরা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আজ স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী।

২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল অসম লড়াই। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও লাখ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে লাল-সবুজের পতাকা। গৌরব ও শোকের এই দিনে জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তান, গণহত্যার শিকার লাখো সাধারণ মানুষ এবং সম্ভ্রম হারানো মা-বোনদের।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা, বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকলকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।’

স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করা জরুরি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’

সবশেষে তিনি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

দিবসটি উপলক্ষে সারাদেশে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়েছে। তবে এবার জ্বালানি সংকট ও মিতব্যয়ী নীতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়নি।

আজ সারাদেশে সরকারি ছুটি। সংবাদপত্রগুলো দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ ও সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করেছে। ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচার করছে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের এই মহান দিনে জাতি নতুন করে শপথ নিচ্ছে—স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার।

সর্বশেষ - জাতীয়