একাত্তর ডেস্ক : :
বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় দেশের সরকারি অফিসের কার্যদিবস ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। সপ্তাহে কতদিন অফিস খোলা থাকবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে আগামী বৃহস্পতিবার।
চলমান ইরান-কেন্দ্রিক সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা সামনে রেখে বিকল্প কর্মপদ্ধতি নিয়ে ভাবছে সরকার।
জানা গেছে, সরকারি অফিসের কার্যক্রম সীমিত করা, ছুটির সংখ্যা বাড়ানো, হোম অফিস চালু করা কিংবা অফিস সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ—এমন বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব সরকারি দপ্তর ও সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকেই নীতিগত সিদ্ধান্ত আসবে।
জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে শিক্ষা খাতেও পরিবর্তনের চিন্তা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমাতে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
এছাড়া পরিবহন খাতে জ্বালানি ব্যবহার কমানো এবং যানজট নিয়ন্ত্রণেও এই পদক্ষেপগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
AD/একাত্তরের কথা





















