ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে জাতীয় সংসদের এলডি হল সংলগ্ন মাঠে শনিবার দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবাইদা রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, এমপি, প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত, এমপি। অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, জাতীয় সংসদ এর চীফ হুয়িপ নুরুল ইসলাম মনি, এমপি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অল রশীদ। সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সঞ্চালনা করেন ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।
অনুষ্ঠানে ড্যাবের ইফতার মাহফিল উদযাপন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, সদস্য সচিব ডা. রেজা মো. সামিউল হাসান (বাবু), বিএমইউ ড্যাবের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, বিএমইউ ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, বিএমইউ এর ইউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুল, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার-১ ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন টিটো প্রমুখসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সম্মানিত সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র চিকিৎসকবৃন্দসহ ড্যাবের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দুস্থ শিশুদের মাঝে, জুলাই গণঅভ্যুানে আহত জুলাই যোদ্ধা, বিগত ১৭ বছরে যারা গুম, খুনের শিকার হয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবাইদা রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে আর নয় সর্বশান্ত হওয়া। দেশের মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা পাবেন, সামার্থ্য অনুযায়ী নয়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূলভিত্তি ও স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলোতে ২৪ ঘণ্টা এ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলো মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। মেডিক্যাল শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় আধুনিকায়ন করা হবে। চিকিৎসা বর্জ্যরে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।




















