দশদিক ডেস্ক : :
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর এক বড় ধরনের হামলার দাবিকে কেন্দ্র করে। তেহরান দাবি করেছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর পাইলটদের আবাসিক এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং অন্তত ২০০ পাইলটের আবাসন ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক উন্নত যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা অকেজো হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম *টাইমস অব ইন্ডিয়া*-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে আকাশজুড়ে মিসাইল ও কামিকাজে ড্রোনের উপস্থিতি দেখা গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির অভ্যন্তরের স্থাপনা।
তবে এ বিষয়ে এখনো স্বাধীনভাবে এসব দাবি যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) হামলার ঘটনা স্বীকার করলেও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে ইরানের এই পদক্ষেপকে ‘হঠকারী’ উল্লেখ করে এর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ইরানের পক্ষ থেকে এটিকে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখানো হলেও, এর ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, হামলার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
AD/একাত্তরের কথা




















