একাত্তর ডেস্ক ::
সিলেট মহানগরীতে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেটকে সত্যিকার অর্থেই একটি পরিচ্ছন্ন নগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে নগরভবনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট ইতোমধ্যেই আধ্যাত্মিক ও পর্যটন নগর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এখন সময় এসেছে নগরটিকে পরিচ্ছন্নতার দিক থেকেও একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার অঙ্গীকার নিয়েই তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। নগরবাসীর ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অচিরেই সিলেটে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে।”
সিসিক সচিব মো. আশিক নূরের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন স্বাগত বক্তব্য দেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবরও এতে বক্তব্য রাখেন।
ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “শুধু সিটি কর্পোরেশন একা পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে পারবে না। এজন্য ব্যবসায়ীসহ নগরের সব নাগরিকের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সবাই মিলে কাজ করলে সিলেটকে একটি বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন নগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”
সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা জানান, সিলেট নগরের তালিকাভুক্ত ৩০১টি মার্কেটের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ২৯টি মার্কেট থেকে সিসিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ফি আদায় করছে। শতভাগ মার্কেটকে এ আওতায় আনতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
জবাবে ব্যবসায়ী নেতারা সব মার্কেট থেকে নিয়মিত ফি পরিশোধ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ফি সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবি জানান তারা। লোডশেডিং সমস্যা সমাধান এবং নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণের বিষয়েও তারা দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সভায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় মহাসচিব আব্দুর রহমান রিপন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. আজিজুল করিমসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



















