Ekattorer Kotha
শুক্রবার , ১০ এপ্রিল ২০২৬ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত: চীনের প্রযুক্তি দিচ্ছে প্লাস্টিককে ‘দ্বিতীয় জীবন’

                       

এপ্রিল ১০, ২০২৬
                   

দশদিক ডেস্ক : :

দ্রুত শিল্পায়নের ফলে প্লাস্টিক যেখানে একদিকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি, অন্যদিকে বড় পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ—সেখানে চীন নতুন এক ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। আধুনিক এই অনুসরণ-ব্যবস্থা প্লাস্টিক বর্জ্যের পুরো জীবনচক্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করে তুলছে।

দাও, লোভেরে এবং দেলিয়ানের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে চালু হওয়া এ প্রকল্পটি ইতোমধ্যে সাংহাই-এর মতো বড় শহরে পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর যন্ত্রের মাধ্যমে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক শনাক্ত করা হয় এবং প্রতিটি ধাপে একটি ডিজিটাল তথ্যধারা তৈরি করা হয়।

সংগ্রহ থেকে শুরু করে বাছাই, চূর্ণ ও পুনর্প্রক্রিয়াকরণ—পুরো প্রক্রিয়াটি কিউআর কোডের মাধ্যমে ট্র্যাক করা হচ্ছে। ফলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া হয়ে উঠছে সম্পূর্ণ যাচাইযোগ্য ও স্বচ্ছ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীনে প্রতি বছর প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়। তবে পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে দেশটি ধীরে ধীরে অপচয় কমাতে সক্ষম হচ্ছে এবং বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় পুনরুদ্ধার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।

এই উদ্যোগটি ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হতে যাওয়া বৃহত্তর নীতিগত পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য পুনর্ব্যবহৃত প্লাস্টিকের মান নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ শৃঙ্খলে গুণগত মান নিশ্চিত করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ডিজিটাল স্বচ্ছতা শুধু পুনর্ব্যবহৃত উপকরণের নিরাপদ ব্যবহারই নিশ্চিত করছে না, বরং নতুন কাঁচামালের ওপর নির্ভরতাও কমাচ্ছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের অংশগ্রহণও বাড়ছে—কারণ তারা পণ্যের কিউআর কোড স্ক্যান করে এর পুনর্ব্যবহৃত উপকরণের উৎস সম্পর্কে জানতে পারছেন।

এই উদ্যোগটি বেইজিং-এর পঞ্চবার্ষিক উন্নয়ন কৌশলের ‘সম্পদ পুনর্ব্যবহারকারী সমাজ’ গঠনের লক্ষ্যকেও শক্তিশালী করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নীতিগত সমন্বয় এবং শিল্প ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে চীন এখন প্রচলিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে সরে এসে একটি পূর্ণাঙ্গ চক্রাকার অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিকের চাহিদা বাড়তে থাকায়, চীনের এই স্বচ্ছ, দক্ষ ও বৃহৎ পরিসরের মডেল পরিবেশ সংরক্ষণে একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি শিল্প প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত দায়বদ্ধতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার একটি সম্ভাবনাময় পথও দেখাচ্ছে।

 

AD/একাত্তরের কথা

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত