স্টাফ রিপোর্ট : :
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আবারও সিলেট নগরীর ফুটপাত দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন হকাররা। তবে প্রশাসনের কড়াকড়ির কারণে তা পুরোপুরি সম্ভব না হওয়ায় আন্দোলনের নামে চাপ সৃষ্টি করছেন তারা। এর ফলে নগরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া হকারদের আন্দোলন রাত পর্যন্ত গড়ায়। পরদিন মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাতে তাদের বসতে দেখা যায়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে অনেক এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রমজানের শেষ সময়ে ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নগরীতে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। এর মধ্যে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। অনেক ক্রেতাকে যানজটে আটকে রাস্তায় বসেই ইফতার করতে হয়েছে।
হকাররা জানান, ঈদ উপলক্ষে অস্থায়ীভাবে হলেও তাদের ফুটপাতে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে হবে। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের অভিযানে হকারদের মালামাল জব্দ ও হয়রানি করা হচ্ছে, যা অমানবিক।
তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফুটপাত দখলের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে। সড়ক ও ফুটপাতে কোনোভাবেই হকারদের বসতে দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে কেউ যেন ফুটপাত দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। হকারদের নির্ধারিত স্থানেই ব্যবসা করতে হবে।
তিনি আরও জানান, হকারদের পক্ষ থেকে বিকল্পভাবে নির্দিষ্ট মাঠে ব্যবসার সুযোগ চাওয়া হয়েছে, যা প্রশাসন বিবেচনা করছে। তবে মব তৈরি করে সড়ক দখলের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে নগরীতে যানজট নিয়ন্ত্রণ করতেই পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর মধ্যে ফুটপাত ও সড়ক দখল করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
তিনি জানান, অভিযান চলমান রয়েছে এবং রাস্তা ও ফুটপাত হকারমুক্ত রাখতে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
AD/একাত্তরের কথা




















