Ekattorer Kotha
সোমবার , ৩০ মার্চ ২০২৬ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ২০ রোগী

                       

মার্চ ৩০, ২০২৬
                   

একাত্তর ডেস্ক ::
সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে অন্তত ২০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬ জন, মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে দুইজন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুইজন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম জানান, হামের লক্ষণ নিয়ে আসা রোগীদের জন্য সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে একটি বিশেষ আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। সেখানে ২০ শয্যার ব্যবস্থা থাকলেও প্রয়োজনে রোগীর সংখ্যা বাড়লে ৪০ জন পর্যন্ত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে চারজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট, বাহুবল ও মাধবপুর উপজেলার তিনজন এবং সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার একজন রয়েছেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন এবং শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।

সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মিজানুর রহমান বলেন, আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি রোগীদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। বর্তমানে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ১৪ জন শিশু ও দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন। এর মধ্যে দুই শিশুর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সিলেটে হামের নমুনা পরীক্ষার জন্য নিজস্ব ল্যাব সুবিধা না থাকায় রোগ নির্ণয়ের জন্য ঢাকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নমুনা মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে হামের পরীক্ষা করা হয়।

সিলেটের সিভিল সার্জন মো. নাসির উদ্দিন বলেন, হামের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয় এবং চূড়ান্ত রিপোর্ট পেতে প্রায় সাত দিন সময় লাগে। এ সময় রোগীদের আইসোলেশনে রেখে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়, যাতে সংক্রমণ অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত