Ekattorer Kotha
মঙ্গলবার , ১৬ জুন ২০২৬ | ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২রা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

সিলেটের চিকিৎসায় নতুন সংযোজন

অনুমোদন পেল আড়াইশ’ শয্যার হাসপাতাল

                       

জুন ১৬, ২০২৬
                   

রিটন আহমদ দিপু : :

সিলেটের চিকিৎসাজগতে নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। সিলেটের লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল নগরের চৌহাট্টায় নির্মিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল। সোমবার অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর নগরজুড়ে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা অত্যাধুনিক হাসপাতালটি চালুর পথ এখন অনেকটাই উন্মুক্ত হয়ে গেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালের অবকাঠামোগত কাজ আগেই শেষ হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতা, পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ এবং জনবল সংকটসহ নানাকারণে হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বিশাল ভবনটি দীর্ঘদিন প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। সোমবার বিকেলে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির হাসপাতালটির অনুমোদনের সুখবর জানান। তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা গেছে, ৬ দশমিক ৯৮ একর জায়গার ওপর নির্মিত হাসপাতাল ভবনটি ১৫ তলাবিশিষ্ট পরিকল্পনায় তৈরি করা হলেও বর্তমানে আটতলা পর্যন্ত নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, সিসিইউ, ডায়াগনস্টিক সুবিধা, কেবিন ও বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা প্রদানের অবকাঠামো রয়েছে।

হাসপাতালটি চালু হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওপর রোগীর অতিরিক্ত চাপ অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত রোগীরা উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

এর আগে হাসপাতালটির দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা দেয়। এ কারণে নির্মাণকাজ শেষ হলেও হাসপাতালটি চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে সর্বশেষ অনুমোদনের মাধ্যমে সেই জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও সচেতন মহল বলছেন, দ্রুত জনবল নিয়োগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপন এবং প্রশাসনিক কাঠামো চূড়ান্ত করা গেলে হাসপাতালটি সিলেটের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। একই সঙ্গে বিভাগীয় শহরে আধুনিক চিকিৎসাসেবার প্রসার ঘটবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলেও আশা করছেন তারা।

সর্বশেষ - জাতীয়