একাত্তর ডেস্ক ::
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নগর হিসেবে সিলেটের রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। দেশের বাইরেও অনেকেই সিলেটের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানেন এবং এ নগরকে সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে দক্ষিণ সুরমার পৈত্যপাড়ায় শ্রীশ্রী রক্ষা কালীবাড়ি মন্দিরের বার্ষিক কালীপূজা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেটে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করেন, যা সিলেটবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও সিলেটে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভবিষ্যতেও সব ধর্মের মানুষের উৎসব নির্বিঘ্নে পালনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
নগর উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দক্ষিণ সুরমা দীর্ঘদিন প্রত্যাশিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। একটি গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ উত্তর সুরমার মতো দক্ষিণ সুরমাতেও সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
এ সময় তিনি শ্রীশ্রী রক্ষা কালীবাড়ি মন্দিরের নাটমন্দির উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মলয় পুরকায়স্থর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রঞ্জন ঘোষ, মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ, মোগলাবাজার থানা শাখার সভাপতি মনমোহন দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দাশ।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুমন কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দত্তসহ অন্যরা।




















