Ekattorer Kotha
বুধবার , ১৩ মে ২০২৬ | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

উদ্বোধনের আগেই ভেঙে গেল ৩ কোটি টাকার সেতুর সংযোগ সড়ক

                       

মে ১৩, ২০২৬
                   

মাধবপুর প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের মাধবপুরে প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর সংযোগ সড়ক উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়েছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সেতুর একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও অপরিকল্পিত নির্মাণকাজের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মাধবপুর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে “মাধবপুর আরএন্ডএইচ তেলিয়াপাড়া-শাহপুর সড়কের ২৫০ মিটার চেইনেজে ৪৫ মিটার আরসিসি পিএসসি গার্ডার ব্রিজ” নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ১২ জুলাই। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৮৫১ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের নকশা ও কাগজপত্রে তেলিয়াপাড়া-শাহপুর সড়কে সেতু নির্মাণের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সেটি নির্মাণ করা হয়েছে ওই সড়ক থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সুরমা চা বাগানের আমতলী-২০ নম্বর সড়কের তেলমাছড়া এলাকায়।
সম্প্রতি ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণকাজের সময় অপরিকল্পিতভাবে টিলা কাটার কারণেই ভাঙনের সূত্রপাত হয়েছে।
সুরমা চা বাগানের বাসিন্দা দিপু যাদব (মনা) বলেন, টিলা কাটার পর থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে। আগে ছড়াটি এত বড় ছিল না।
২০ নম্বর এলাকার বাসিন্দা রবি কুর্মি বলেন, এই সড়কে আরও দুটি পাহাড়ি ছড়া রয়েছে। সেখানে ব্রিজ না থাকলে যানবাহন চলাচল সম্ভব নয়। একটি ব্রিজের পেছনে এত টাকা খরচ না করে ফয়জাবাদ থেকে ২০ নম্বর পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ করলে এলাকাবাসীর বেশি উপকার হতো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তবর্তী ২০ নম্বর এলাকায় প্রায় আড়াই হাজার মানুষের বসবাস। এলাকাটিতে যাতায়াতের জন্য দুটি কাঁচা রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে ফয়জাবাদ হয়ে পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত সড়ক দিয়ে নিয়মিত সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত যান চলাচল করে। কিন্তু আমতলী সড়কে দুটি বড় পাহাড়ি ছড়া থাকায় বর্ষা মৌসুমে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউন নবী বলেন, আমরা এখনো ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেইনি। তাই তাদের দায়িত্বে সংযোগ সড়ক মেরামত করে কাজ বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে সেতুর স্থান পরিবর্তন ও নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সর্বশেষ - জাতীয়