একাত্তর ডেস্ক ::
সিলেটে ছিনতাই ও রাহাজানি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “এক সপ্তাহের মধ্যে ইতিবাচক ফলাফল দেখতে চাই, কোনো অভিযোগ শুনতে চাই না।”
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব খারাপ নয়। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সক্রিয় আছেন এবং গত মাসের তুলনায় এ মাসে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবুও ছিনতাই-রাহাজানি বন্ধে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি চান তিনি।
প্রবাসীদের প্রসঙ্গে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরে আসা কর্মীদের পুনরায় কর্মসংস্থানের জন্য ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার কূটনৈতিকভাবে কাজ করছে। অনেক ক্ষেত্রে ভিসা এক্সটেনশন দেওয়া হচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিহত প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে এবং বিদেশে অবস্থানকারীদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ মিশনগুলো কাজ করছে।
সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি ফলপ্রসূ হয়েছে এবং শিগগিরই বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ার আশা রয়েছে।
এর আগে সভায় মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে কঠোর নজরদারি বাড়াতে। বিজিবিকে চোরাচালান রুটের ম্যাপ প্রস্তুত করে জমা দিতে এবং তেলের ডিপোসহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসানোর পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে তেলের সংকটও কমবে।
এছাড়া অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ প্রবাসী যাত্রীদের হয়রানি বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং জননিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




















