Ekattorer Kotha
মঙ্গলবার , ২১ এপ্রিল ২০২৬ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

সিলেটে ৯ নতুন কূপে গ্যাস উত্তোলন শুরু, বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

                       

এপ্রিল ২১, ২০২৬
                   

স্টাফ রিপোর্ট
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সিলেট থেকে এলো ইতিবাচক খবর। গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ৯টি নতুন কূপ থেকে উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ৫টি কূপ খনন শেষ হয়েছে, বাকি ৪টির কাজ চলছে। পাশাপাশি আরও ৮টি কূপে ওয়ার্কওভার (সংস্কার) কার্যক্রমের প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে।
সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৪২-১৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কোম্পানির অধীনে থাকা হরিপুর, কৈলাশটিলা, বিয়ানীবাজার ও রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রে মোট ৩৪টি কূপ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ১৭টি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে এবং প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হচ্ছে। পুরোনো হয়ে যাওয়ায় বাকি কূপগুলো থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
গ্যাসের পাশাপাশি কনডেনসেট উৎপাদনেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে সিলেট। নিজস্বভাবে প্রতিদিন প্রায় ৭৫০ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হচ্ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক কোম্পানি শেভরন ও তাল্লোর কাছ থেকে আরও ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রায় ৪,৫০০ ব্যারেল বিভিন্ন রিফাইনারিতে সরবরাহ করা হয়।
রশিদপুর রিফাইনারিতে এই কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে প্রতিদিন ৩,৩০০ থেকে ৩,৫০০ ব্যারেল পেট্রল, ৬০০-৭০০ ব্যারেল অকটেন, ১৫০-২৫০ ব্যারেল ডিজেল এবং ১০০-১৫০ ব্যারেল কেরোসিন উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব জ্বালানি বিপিসির পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা কোম্পানির মাধ্যমে সারাদেশে বিতরণ করা হয়।
জাতীয় জ্বালানি চাহিদা পূরণে সিলেট গ্যাস ফিল্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখান থেকে উৎপাদিত জ্বালানি দিয়ে দেশের মোট পেট্রলের ৩৩-৩৫ শতাংশ, কেরোসিনের ৭ শতাংশ, অকটেনের ৭-৮ শতাংশ এবং ডিজেলের ০.২-০.৩ শতাংশ চাহিদা পূরণ হচ্ছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নেওয়া এই নতুন উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে গ্যাস উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হবে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত