শনিবার (১৪ মার্চ) বিকালে গাজীপুর জেলা পুলিশ লাইনে মহানগর পুলিশ আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, গাজীপুর ও চিটাগাং হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন। সেটাকে যদি আমরা ঠিক রাখতে না পারি; তাহলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলেন, জীবনযাত্রার মান বলেন, শান্তি বলেন, সমৃদ্ধি বলেন, ন্যায়বিচার বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা বলেন, তার কোনো কিছুই আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব না।
তিনি বলেন, মাদক আমাদের তরুণ সমাজকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
আইজিপি শ্রমিক আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, কিছু হলেই তাদের একটি অংশ রাস্তা অবরোধ করে, ফলে যানজট সমস্যা তৈরি হয় এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমাদের দেশের ৯৯ পার্সেন্ট শ্রমিক নিরীহ। তারা মাস শেষে বেতন পেলেই খুশি থাকে। কিন্তু ওয়ান পার্সেন্ট লোক দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর থাকে, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি।
তিনি বলেন, দেশে মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, যানজটসহ নানা সমস্যা রয়েছে। এগুলো কিন্তু একদিনে সৃষ্টি হয়নি, এসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হয়েছে। একটি ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল, সে কারণেই কিন্তু এ সমস্যাগুলো ঘনীভূত হয়েছিল। শুধু গাজীপুর নয়, সারাদেশে যুবসমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিয়েছিল তারা। যুব সমাজকে ধ্বংস করতেই পরিকল্পিতভাবে তারা এই কাজটি করেছে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে অন্য দেশের সিলেবাসকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করেছিল তারা।



















