দশদিক ডেস্ক : :
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তার দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র JASSM-ER (Joint Air-to-Surface Standoff Missile–Extended Range)-এর বড় অংশ মোতায়েন করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র মতে, মার্চের শেষ দিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সংরক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্থানান্তর করে United States Central Command-এর আওতাধীন ঘাঁটি এবং যুক্তরাজ্যের RAF Fairford-এ পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। যুদ্ধ-পূর্ব সময়ে যেখানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ছিল প্রায় ২ হাজার ৩০০, বর্তমানে তা কমে প্রায় ৪২৫-এ নেমে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে এত বিপুল সামরিক শক্তি কেন্দ্রীভূত করার ফলে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ভারসাম্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। প্রায় ৯৬৫ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র গত কয়েক সপ্তাহে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা হয়েছে, তবে পাল্টা প্রতিরোধে মার্কিন বাহিনীরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভূপাতিত যুদ্ধবিমান ও ক্ষতিগ্রস্ত উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারের খবর সামনে এসেছে, যা যুদ্ধের জটিলতা বাড়াচ্ছে।
এদিকে, Donald Trump ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
স্টিমসন সেন্টারের জ্যেষ্ঠ গবেষক Kelly Grieco বলেন, পুরোনো B-52 বোমারু বিমান ব্যবহার যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার আক্রমণ কৌশলের ওপর নির্ভরশীলতাকেই ইঙ্গিত করে।
সব মিলিয়ে, যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ততই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল, অস্ত্র ব্যবহারের মাত্রা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ও উদ্বেগ বাড়ছে।
AD/একাত্তরের কথা




















