Ekattorer Kotha
রবিবার , ২৪ মে ২০২৬ | ৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ক্রিকেট
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. ঢাকা
  11. দেশের ভেতরে
  12. প্রবাসের কথা
  13. প্রযুক্তি
  14. প্রেসবক্স
  15. ফিচার

সবুজের বুকেই গর্জে উঠল টাইগাররা

সিলেটে বিধ্বস্ত পাকিস্তান

                       

মে ২৪, ২০২৬
                   

লোকমান আহমদ:
সবুজ চা-বাগানে ঘেরা অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোড়ানো সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টানটান উত্তেজনা পূর্বক টেস্ট ম্যাচ শেষে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মাধ্যমে দুই ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আর এই জয়ের মধ্য দিয়েই রচিত হলো আরেকটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
এই জয়ের পর আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রের পয়েন্ট টেবিলে ৫৮.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শক্তিশালী দলগুলোর মধ্যে ভারতকে টপকে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে টাইগাররা।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা শেষ পর্যন্ত কেটে গিয়ে যখন খেলা মাঠে গড়ায়, তখন থেকেই ভিন্ন এক উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে স্টেডিয়ামজুড়ে। সেই উষ্ণতা যেন ছুঁয়ে যায় টাইগারদের মনে।
সিলেটের এই মাঠ যেন বাংলাদেশের জন্য এক সৌভাগ্যের প্রতীক। চা-বাগানের ঘেরা, পাহাড়ের সবুজ ছায়া আর মাঠজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রশান্ত সৌন্দর্য। সব মিলিয়ে এই ভেন্যুতে বাংলাদেশ যেন প্রতিবারই খুঁজে পায় নতুন জয়ের গল্প লেখার সাহস।
ম্যাচের গল্পও ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তোলে ২৭৮ রান। জবাবে পাকিস্তান থামে ২৩২ রানে, ফলে ৪৬ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ইনিংসে অভিজ্ঞতা ও ধৈর্যের মিশেলে মুশফিকুর রহিম খেলেন অনবদ্য ১৩৭ রানের ইনিংস, যা বাংলাদেশকে পৌঁছে দেয় ৩৯০ রানের শক্ত ভিতে। পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় পাহাড়সম ৪৩৭ রানের লক্ষ্য। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে ৩৫৮ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।
এই জয়ের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। চাপের মুহূর্তে একাই ভেঙে দেন পাকিস্তানের ব্যাটিং কাঠামো। ৬ উইকেট শিকার করে তিনি হয়ে ওঠেন ম্যাচের নিয়ন্ত্রক শক্তি। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাজিদ খান ও রিজওয়ানের জুটি ভেঙে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি।
ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ভিত গড়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তার ১৩৭ রানের ধৈর্যশীল ও পরিণত ইনিংস দলের স্কোরকে এনে দেয় দৃঢ়তা। লিটন দাসের ৬৯ রানের কার্যকর ইনিংসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নাহিদ রানা ও তাইজুলের সম্মিলিত বোলিং আক্রমণে পাকিস্তান ২৩২ রানে থেমে যায় প্রথম ইনিংসে। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে লক্ষ্য তাড়ায়ও ব্যর্থ হয় তারা। বাবর আজমের ৬৮ রান ছাড়া বড় কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি সফরকারীরা।
শেষ দিকে লেজের ব্যাটারদের ছোট ছোট রান পাকিস্তানের স্কোর কিছুটা বাড়ালেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। নাহিদ রানা, তাইজুল, মিরাজ ও তাসকিনের সমান ভাগে বণ্টিত বোলিং আক্রমণই পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দেয়।
সিলেটের এই মাঠ যেন বাংলাদেশের জন্য সৌভাগ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। সবুজে মোড়া আউটফিল্ড, চারপাশে চা-বাগানের সৌন্দর্যে ভরা সিলেটের এই ভেন্যুতে বাংলাদেশ বারবারই খুঁজে পায় বাড়তি অনুপ্রেরণা। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক টেস্ট জয় সেই ধারাবাহিকতারই আরেকটি উজ্জ্বল অধ্যায়।

সর্বশেষ - লিড নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

করতি খালের ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরানের

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সিলেটে বিক্ষোভ

সিলেটে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও সাংবাদিক আক্রান্তের ঘটনায় জেলা প্রেসক্লাবের উদ্বেগ

বন্দরবাজার থেকে দুই চাঁদাবাজ আটক

সিলেটে যুব ঐক্য পরিষদের কর্মীসভা ও সদস্য নিবন্ধন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

হকার্স মার্কেটের শেড দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস সিসিক প্রশাসকের

নতুন ‘হ্যারি পটার’ সিরিজে বিতর্ক: মিলেনিয়াল-জেন জি দ্বন্দ্বে বিভক্ত দর্শক

সুনামগঞ্জে ২৪১ বোতল বিদেশি মদসহ যুবক আটক

সিলেটে ৩২ ঘণ্টায় ১৫২ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বৈশাখী ভাতায় সুখবর: এমপিও শিক্ষকদের জন্য ইএফটি বিল সাবমিট শুরু