একাত্তর ডেস্ক ::
বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের করতি খালের ওপর সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে প্রস্তাবিত সেতুস্থল পরিদর্শন করেন।
আলীনগর ইউনিয়নের পাতন ও ফুলমলিক গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে সেতুটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেতু নির্মিত হলে এলাকার অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগও সহজ হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্বাধীনতার পর থেকেই করতি খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। কিন্তু এতদিন সেই দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে ফুলমলিক, ঘাগওয়া, গোবিন্দশ্রী, দেউলগ্রাম, পাতন, চন্দ্রগ্রাম, কটলিপাড়া ও আঙ্গুরাসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে খাল পারাপার করছেন।
তারা বলেন, খালের দুই পাশে ছয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যায়। মাঝে মাঝে শিক্ষার্থী পানিতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এছাড়া কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কিংবা কোনো মৃত্যুর ঘটনায় মরদেহ আনা-নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
এ সময় এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, এবার তাদের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
সেতুস্থল পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন মুফতি মাওলানা মুজিবুর রহমান, বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাব উদ্দিন, ড. জুনায়েদ আজম চৌধুরী, এনাম উদ্দিন, রফিক উদ্দীন, সরফ উদ্দীন, ডা. নাদিয়া সুলতানা, ইউপি সদস্য শামিম আহমদ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদল নেতা আশরাফুল হক।
এর আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলার কায়স্তগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘সিলেট বিভাগে শিশুদের মধ্যে থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব’ শীর্ষক গবেষণা কার্যক্রম ও মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন খাতে কাজ করছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা খাতে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।



















