Ekattorer Kotha
শনিবার , ৪ এপ্রিল ২০২৬ | ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ক্রিকেট
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. ঢাকা
  11. দেশের ভেতরে
  12. প্রবাসের কথা
  13. প্রযুক্তি
  14. প্রেসবক্স
  15. ফিচার

সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষার দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন

                       

এপ্রিল ৪, ২০২৬
                   

একাত্তর ডেস্ক ::
কয়েকদিনের টানা বর্ষণে সুনামগঞ্জের অর্ধশত হাওরে অন্তত দুই হাজার হেক্টর ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। হাওরের ফসল রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে সিলেটের চৌহাট্টা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ‘পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা’র আয়োজনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা হাওরে জলাবদ্ধতা নিরসন, বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার গুরুত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বক্তারা বলেন, বোরো মৌসুমে হাওরে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। পাহাড়ি ঢল যাতে হাওরে ঢুকতে না পারে, তারও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় কৃষকদের অভিজ্ঞতা, কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে হাওর ব্যবস্থাপনার টেকসই পরিকল্পনা জরুরি। অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

বক্তারা জানান, বর্ষার আগেই তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের সিংহভাগ ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হাওরের মধ্যে রয়েছে—পাখিমারা, দেখার, করচার, কানলার, খাই, শাল্লার ছায়ার, জামালগঞ্জের হালির, পাগনার, শনির, মাটিয়ান, দিরাইয়ের কালিকোটা, টাংনি, হুরামন্দিরা, বরাম ও চাপতির হাওর, মধ্যনগরের ঠগার হাওর, শান্তিগঞ্জের দেখার, সাংহাই, খাই, জামখলা ও কাঁচিভাঙা হাওরের নিচু জমি।

মানববন্ধনে হাওরে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, জরুরি ভিত্তিতে নদী খনন, স্লুইস গেইট স্থাপন, খাল পুনঃখনন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও প্রণোদনা নিশ্চিত করতে হবে। হাওর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং অস্থায়ী বাঁধের পরিবর্তে কার্যকর প্রযুক্তি ব্যবহার করা অত্যাবশ্যক।

বাপা সিলেটের সভাপতি জামিল আহমেদ চৌধুরী বলেন, “বন্যা বা জলাবদ্ধতা—উভয় ক্ষেত্রেই কৃষকের ক্ষতি একই। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সোনালি ফসল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা ঋণ করে চাষ করেছেন, এখন তারা দিশেহারা। গবাদিপশুর খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে।”

আইনজীবী এমাদুল্লাহ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রতিবছর অকাল বন্যা ও জলাবদ্ধতা রোধে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হলেও কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সিদ্দিকী বলেন, হাওরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্লুইস গেইট স্থাপন ও খাল পুনঃখনন করলে পানি অপসারণ সহজ হবে।

মানববন্ধনের শুরুতে সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক পিযুষ পুরকায়স্থ টিটুর। এতে ব্লাস্ট সিলেটের সাবেক কো-অর্ডিনেটর ইরফানুজ্জামান, মধ্যনগর উপজেলা উন্নয়ন পরিষদের সাবেক সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম, ধর্মপাশার রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমানুর রাজা চৌধুরী, সমাজসেবী মো. দিলশাদ মিয়া এবং বংশীকুণ্ডা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাবেক সভাপতি জেনারুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

সর্বশেষ - লিড নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

হবিগঞ্জে দীঘি থেকে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার

সিলেটে পৃথক অভিযানে আটক ৬

শুক্রবার শুরু হচ্ছে দেশের বৃহত্তম স্কুল ক্রিকেট আয়োজন

শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত বাসিয়া নদী খনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সুনামগঞ্জে পর্যটন কেন্দ্রে সংঘর্ষ, স্পট মালিক গ্রেপ্তার

জ্বালানিতে মূল্য বাড়ায়নি সরকার, প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকার ভর্তুকি: প্রতিমন্ত্রী

মনোনয়ন নিতে গিয়ে বিতর্কে কনকচাঁপা, প্রশ্নে দলীয় নেতাকর্মীরা

নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ২৯তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

‘আতঙ্কিত হবেন না, জ্বালানি সাশ্রয় করুন’

সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ সংস্কারের আশ্বাস সিসিক প্রশাসকের