একাত্তর ডেস্ক : :
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংসদীয় বিশেষ কমিটি সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩২ বছর করার অধ্যাদেশে একমত হয়েছে। তবে বিরোধী দল জামায়াত এই সীমা ৩৫ বছর করার প্রস্তাব দিয়েছেন। বিষয়টি জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে আলোচিত হয়।
বৈঠকে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের বয়সসীমা ৩২ বছরের অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় জামায়াতের সংসদ সদস্যরা বয়সসীমা ৩৫ বছর রাখার প্রস্তাব রাখেন।
সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে সব পক্ষই একমত এবং বিষয়টি সংসদে নতুন বিল আকারে উত্থাপন করা যেতে পারে।
জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “চাকরির বয়সসীমা ৩২ বছর রাখার বিষয়ে কমিটির সবাই একমত। এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অন্যান্য অধ্যাদেশ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বেশিরভাগ অধ্যাদেশ সংসদে সুপারিশ আকারে উত্থাপনের বিষয়ে কমিটি একমত হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলন চলছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ দাবি পূরণ হয়নি। অন্তবর্তী সরকারের আমলেও এ দাবিতে আন্দোলন চলে।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বহু তরুণ প্রার্থীর জন্য সরকারি চাকরিতে সুযোগ প্রসারিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
AD/একাত্তরের কথা




















