Ekattorer Kotha
বুধবার , ১ এপ্রিল ২০২৬ | ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

নুরু হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সিলেটের সাবেক এসপি নূরে আলম মিনা এখনো অধরা

                       

এপ্রিল ১, ২০২৬
                   

একাত্তর ডেস্ক ::

চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরু হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচারকাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আলোচিত এই হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে চট্টগ্রামের তৎকালীন পুলিশ সুপার ও সিলেটের সাবেক এসপি নূরে আলম মিনা। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময়ের পুলিশি অভিযানের আড়ালে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। বর্তমানে তিনি পলাতক এবং বিদেশে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও দাবি উঠেছে।

২০১৭ সালের ২৯ মার্চ গভীর রাতে চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকার নিজ বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরুকে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, রাউজান থানার পুলিশ সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তারের কথা বলে নিয়ে যান। কিন্তু পরদিন সকালে রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নুরুর পরিবার ও বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড। তাদের দাবি, তৎকালীন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। সে সময় চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন নূরে আলম মিনা।

পরিবারের অভিযোগ, নুরুকে বাসা থেকে তুলে নেওয়ার পর নোয়াপাড়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে চোখ-মুখ বেঁধে নির্যাতন করা হয় এবং একপর্যায়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ফেলে রাখা হয় কর্ণফুলী নদীর তীরে।

দীর্ঘদিন প্রচেষ্টার পর ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নুরুর স্ত্রী সুমি আক্তার চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, তৎকালীন রাউজান থানার ওসি, পুলিশ সদস্যসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়। অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক এসপি নূরে আলম মিনার নামও রয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত কয়েকজন আত্মগোপনে চলে যান। তাদের মধ্যে নূরে আলম মিনাও রয়েছেন। সর্বশেষ রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে কর্মরত থাকাকালীন অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, দায়িত্বে থাকার সময়ই তিনি বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে তার বিপুল অর্থসম্পদ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর রয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা সেখানে বসবাস করছেন। হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

নুরুর স্ত্রী সুমি আক্তার বলেন, আমরা শুধু চাই সত্যটা সামনে আসুক। যারা আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে হত্যা করেছে, তাদের বিচার হোক।

স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পার হলেও মামলার বিচার এগোয়নি। তাদের মতে, অভিযুক্তদের অনেকেই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় বিচার প্রক্রিয়া কার্যত স্থবির হয়ে আছে।

এদিকে নূরে আলম মিনা পলাতক থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার অন্য কয়েকজন অভিযুক্তের অবস্থান সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

নুরু হত্যাকাণ্ডের প্রায় নয় বছর পরও মামলার বিচার না হওয়ায় পরিবার ও রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে- এই আলোচিত হত্যার প্রকৃত বিচার আদৌ হবে কি না।

সর্বশেষ - লিড নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সিলেটে বৃহৎ প্রতিমায় হনুমান পূজা, উৎসবমুখর দাড়িয়াপাড়া

রংপুরে মাউশি’র উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ডিজিটাল দানবক্স ও বাংলা কিউআর চালু

শেওলা পয়েন্টে বাস উল্টে খাদে, আহত ৮

তারেক রহমান ও আরাফাতকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতি দেওয়া হোক

ছুটির দিনেও হাসপাতাল পরিদর্শনের নির্দেশ, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

উদ্বোধনের আগেই ভেঙে গেল ৩ কোটি টাকার সেতুর সংযোগ সড়ক

সিলেট থেকে শুরু হবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ : প্রধানমন্ত্রী

জৈন্তাপুরে ধানক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

সিলেটে পাম্প মালিকদের অভিযোগ: প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সেবা ব্যাহত হচ্ছে