স্টাফ রিপোর্ট : :
সিলেটের তিনটি সামাজিক সংগঠনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সফরকে ঘিরে পর্যটন ব্যবস্থাপনার নানা অসঙ্গতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে জাফলং পর্যটন কেন্দ্রকে ‘শপিং সেন্টার’ হিসেবে ঘোষণার দাবিও জানিয়েছেন আয়োজকরা।
সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা এবং সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা-এর উদ্যোগে গত ৪ এপ্রিল এই শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয়। সকালে সিলেট থেকে যাত্রা শুরু করে দিনব্যাপী ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীরা শ্রীপুর চা বাগান, জাফলং পর্যটন কেন্দ্র এবং লালাখাল ঘুরে দেখেন।
আয়োজকদের অভিযোগ, শ্রীপুর পিকনিক স্পটে প্রবেশের সময় টিকিট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। টিকিটে কোনো ক্রমিক নম্বর না থাকা এবং ফটোকপি কাগজে বিক্রির বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া ভেতরে পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা না থাকায় পরিবেশ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
জাফলং ভ্রমণে গিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আরও হতাশ হন বলে জানান আয়োজকরা। তাদের দাবি, পর্যটন কেন্দ্রজুড়ে অনিয়ন্ত্রিত দোকানপাট ও দালালদের উপস্থিতির কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ সিঁড়ি ও অব্যবস্থাপনার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। এসব কারণে জাফলংকে প্রকৃত পর্যটন কেন্দ্রের পরিবর্তে ‘শপিং সেন্টার’ হিসেবে অভিহিত করার দাবি জানান তারা।
লালাখালে নৌকা ভাড়ার ক্ষেত্রে ‘সিন্ডিকেট’ সমস্যার অভিযোগও তোলা হয়। পর্যটকদের সুবিধার চেয়ে ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে বলে মনে করছেন অংশগ্রহণকারীরা।
সফরের অভিজ্ঞতা থেকে আয়োজকরা মনে করেন, দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও নজরদারির অভাব রয়েছে। তারা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-এর তত্ত্বাবধানে স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কার্যকর নজরদারি জোরদারের দাবি জানান।
এই শিক্ষা সফরে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। তাদের মতে, পর্যটন খাতের সুষ্ঠু উন্নয়নের জন্য অব্যবস্থাপনা দূর করা জরুরি।
AD/একাত্তরের কথা




















