একাত্তর ডেস্ক ::
সিলেটে হাম সংক্রমণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ৬ মাস থেকে ২২ বছরের মধ্যে বয়সী ১৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে নতুন করে আইসোলেশন কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হামের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। হাসপাতালের উপপরিচালক মাহবুবুর রহমান জানান, সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তাই রোগীদের অন্যদের থেকে আলাদা রাখা অপরিহার্য। এই কারণেই হাসপাতালটির ৪ নম্বর ওয়ার্ডকে ডেডিকেটেড আইসোলেশন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে কেউ গুরুতর অবস্থায় নেই।
শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই ২৬ মার্চ ১৫ জন রোগী ভর্তি হন। পরে রোববার বিকেল পর্যন্ত আরও কিছু রোগী ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে। তাদের মধ্যে কিছু রোগী ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৬ জন।
হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী, আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকই সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। এছাড়া সিলেট সদর, জেলার বিভিন্ন উপজেলা, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ থেকেও রোগী শনাক্ত হয়েছে।
সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত জানান, হাসপাতালটি করোনা মহামারির সময়ও ডেডিকেটেড চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। হাম এক ব্যক্তি থেকে ১০-১২ জনের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে। তাই সংক্রমণ রোধে রোগীদের আলাদা রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, টিকার পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োগ করা হবে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুর রহমান জানান, ঈদের পর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ার প্রমাণ মিলেছে। গত মাসে নগরে হামের স্ক্রিনিং চালানো হয়েছিল, তখন মাত্র একজন রোগী শনাক্ত হন। তবে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।




















