
একাত্তর ডেস্ক ::
বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও সিলেটের সাধারণ মানুষকে তেল সরবরাহের চেষ্টা করতে গিয়ে প্রশাসনের ‘অযৌক্তিক ও অপেশাদার’ হস্তক্ষেপের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন সিলেট বিভাগের পেট্রোল পাম্প মালিকরা।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তারা জানান, বর্তমান রেশনিং প্রথা ও সরবরাহ সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তেলের সুষম বণ্টন বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের কিছু কার্যক্রম জনস্বার্থবিরোধী পরিস্থিতি তৈরি করছে।
সিলেট বিভাগ পেট্রোল পাম্প মালিক পক্ষের পক্ষে অ্যাডভোকেট নাদিম রহমান তিনটি প্রধান সমস্যার কথা তুলে ধরেন:
১. আন্তঃপাম্প তেল স্থানান্তরে হয়রানি: একাধিক পাম্পের মালিকরা এক পাম্পের তেল অন্য পাম্পে স্থানান্তর করে জনগণের ভোগান্তি কমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রশাসন এটিকে অবৈধ বলে আটক ও জরিমানার ভয় দেখাচ্ছে।
২. ডেড স্টক নিয়ে ভুল ধারণা: ট্যাংকে কারিগরি কারণে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল (Dead Stock) রাখা বাধ্যতামূলক। এটি বিক্রি করা সম্ভব নয়। কিন্তু অনেক কর্মকর্তা এই বিষয়টি না বুঝে ‘তেল মজুদ’ বলে জরিমানা করছেন।
৩. ব্যবসায়িক টিকে থাকার সংকট: বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীদের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মেটানোর পর বর্তমান রেশনিংয়ে মুনাফা করা প্রায় অসম্ভব। প্রশাসনের অভিযানের কারণে মালিকরা দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থায় পৌঁছেছেন।
মালিকপক্ষ জানিয়েছেন, তারা সংঘাত চান না। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি গ্রহণে বাধ্য হবেন বলে সতর্ক করেছেন।
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.