একাত্তর ডেস্ক ::
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা উপজেলার সুরমা চা-বাগান এলাকায় ঘুরতে গিয়ে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অপর একজন পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী তার পরিচিত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে সুরমা চা-বাগানে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে তারা বাগানের ভেতরে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় দুই ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে ‘ডাকাত’ বলে ধাওয়া করলে সঙ্গে থাকা যুবক দৌড়ে পালিয়ে যান।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা তরুণীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক চা-বাগানের ভেতরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে মারধর করে তার কানে থাকা প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গী পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তরুণীকে উদ্ধার করে। এ সময় মো. জসিম মিয়া (৩৪) নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ভুক্তভোগীর স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি মো. শাহীন মিয়া পালিয়ে গেছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং পলাতক আসামির পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মাধবপুর থানার ভারাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক ধর্ষণ মামলা রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে আদালতে পাঠিয়ে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে।
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.