একাত্তর ডেস্ক : :
দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেলের সংকটের খবর ও পাম্পে সরবরাহ বন্ধ থাকার অভিযোগের মধ্যেই সরকার বলছে, দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে প্রায় এক মাসের জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশে তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত কেনা ও মজুত প্রবণতার কারণে অনেক পাম্পে আগেভাগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “তেলের কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু মানুষ একসঙ্গে বেশি করে তেল কিনছে, ফলে পাম্পগুলোতে দ্রুত সরবরাহ শেষ হয়ে যাচ্ছে। অযথা মজুত করার প্রয়োজন নেই—সবাই তেল পাবেন।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ঈদুল ফিতরের সময় দেশের পরিবহন খাতে তেলের কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল এবং সাধারণ মানুষ তেলের অভাবে বড় ধরনের ভোগান্তিতে পড়েনি।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত সরাসরি মন্ত্রণালয় নেয় না; এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন–এর অধীনে পড়ে।
এদিকে, অনেক স্থানে ভোরবেলা পাম্পে তেল না পাওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ট্যাংক-লরি থেকে তেল সরবরাহে কিছুটা সময় লাগার কারণে দিনের শুরুতে সাময়িক সংকট তৈরি হয়। তবে পরে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যায়।
সরকারি এই আশ্বাসের পরও বাজারে আতঙ্কজনিত কেনাকাটা ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
AD/একাত্তরের কথা
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.