সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে কুড়িগ্রাম রৌমারীর কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাইদুল ইসলাম এ অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন।
মাইদুল ইসলাম জানান, কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রতিষ্ঠানটির এমপিও ভুক্তির জন্য মাউশি রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকসানা বেগম তার কাছ থেকে শিক্ষকদের ফাইলের জন্য ৬ লাখ ও কর্মচারীদের ফাইলের জন্য ৩ লাখ টাকা দাবি করেন।
অবসরপ্রাপ্ত এই শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের সাথে দেখা করে এমপিওভুক্তির জন্য ৮ লাখ টাকা দিতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং পদোন্নতির লোভে অফিসের কর্মচারীদের ডেকে এনে শিক্ষক তাকে আটকিয়ে ব্যাগ থেকে জোরপূর্বক টাকা বের করান। সেই সাথে মাইদুলকে ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করতে নানাধরনের হুমকি দেন রোকসানা বেগম। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাঁচানোর স্বার্থে ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি সাংবাদিক ও পুলিশের কাছে ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করেন।
শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন, মাউশির রংপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক রোকসানা বেগম আমার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে এনে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিতভাবে আমাকে পুলিশে দেয়া হয়। যা ছিল ওই ঘুষখোর উপ-পরিচালকের একটি সাজানো নাটকীয় ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ রোকসানা বেগম আমাকে ফাঁসিয়ে তিনি দিব্যি চাকরিতে কর্মরত আছেন। আমার মতো অত্যন্ত সহজ সরল মানুষকে বিনা অপরাধে ১৮ দিন কারাভোগ করা লাগছে। সমাজে এখন মুখ দেখাতে পারছি না। আমি চাই সুষ্ঠু তদন্ত ও কল রেকর্ড, সিসি টিভি ফুটেজগুলো পর্যালোচনা করে এ ঘটনার আসল রহস্য উন্মোচিত হোক।
মাউশি রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক রোকসানা বেগম বলেন, শিক্ষক মাইদুল ইসলাম নিজের গা বাঁচানোর জন্য নানা কথা বলছেন। যেহেতু এ ঘটনায় দুদক একটি মামলা করেছে। মামলায় প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। সেখানে যদি আমার কোন ত্রুটি থাকে সেটিও উদ্ঘাটন হবে।
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.