বিনোদন ডেস্ক : :
মুক্তির পর থেকেই নানা জটিলতায় পড়া প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা এবার পাইরেসির কবলে পড়ে নতুন করে বিপাকে পড়েছে। ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান–অভিনীত এই ছবির একাধিক ভিডিও ক্লিপ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরপরই সার্ভারজনিত সমস্যার কারণে দেশের বেশ কয়েকটি হলে ছবিটির প্রদর্শনী বন্ধ হয়ে যায়। এতে টিকিট কেটে এসেও সিনেমা দেখতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দর্শকরা। কোথাও কোথাও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
এরই মধ্যে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ক্লিপগুলো নতুন করে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানসহ চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব ক্লিপ হলের ভেতর থেকে মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানায়, কীভাবে এসব ভিডিও অনলাইনে এসেছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎস শনাক্ত করা গেলে দ্রুত এসব কনটেন্ট সরানো সম্ভব হবে।
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, এভাবে পাইরেসি ছড়িয়ে পড়লে সিনেমাটির বক্স অফিস আয় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তাই দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি দর্শকদের অবৈধভাবে ছড়ানো কনটেন্ট দেখা থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
এদিকে, ছবিটির নির্মাণমান নিয়েও সমালোচনা রয়েছে দর্শক মহলে। ভিএফএক্স, সাউন্ড ও গান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। কারও কারও মতে, তাড়াহুড়ো করে নির্মাণের ছাপ স্পষ্ট সিনেমাটির বিভিন্ন দৃশ্যে।
সব মিলিয়ে, তারকাখ্যাতি সত্ত্বেও ‘প্রিন্স’ এখন একাধিক সংকটের মুখে পড়েছে—যা ছবিটির বাণিজ্যিক সাফল্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
AD/একাত্তরের কথা
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.