
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::
ফ্রান্সের সাম্প্রতিক পৌর নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অংশগ্রহণে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। সুনামগঞ্জের মেয়ে তানিয়া তনু গার্ঝ-লে-গোনেস এলাকায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ফরাসি স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি নারীর প্রতিনিধিত্বকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।
পেশায় আইনজীবী তানিয়া তনু বামঘরানার একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এই সাফল্য অর্জন করেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, তার এই বিজয় প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এদিকে একই নির্বাচনে আরও চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নাহিদুল মোহাম্মদ ও কৌশিক রাব্বানী সাঁ-দেনি এলাকায়, ফাহিম মোহাম্মদ ক্রেতেই এলাকায় এবং জুবায়েদ আহমেদ ইভ্রি-সুর-সেন এলাকায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।
এতে ফ্রান্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও জোরদার হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নির্বাচনে বিজয়ের পর প্রতিক্রিয়ায় তানিয়া তনু বলেন, মানুষের আস্থা ধরে রেখে তাদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চান তিনি। স্থানীয় উন্নয়ন ও জনকল্যাণই হবে তার অগ্রাধিকার।
রোববার (২২ মার্চ) অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার ভোটে প্যারিসসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে বামপন্থি জোট তাদের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে একই সঙ্গে ডানপন্থি ও কট্টর ডানপন্থি শক্তির অগ্রগতি ফ্রান্সের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনি ব্যবস্থায় ভোটাররা সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকার পক্ষে ভোট দেন। প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে সেই তালিকা থেকে নির্ধারিত ক্রম অনুযায়ী প্রার্থীরা নির্বাচিত হন।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনের ফলাফল ফ্রান্সের স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তনের ধারা স্পষ্ট করেছে। বিশেষ করে অভিবাসী সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.