
একাত্তর ডেস্ক ::
প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে স্বীকৃতি থাকলেও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরসভার বাস্তব চিত্র ভিন্ন। দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে পৌরসভার সাহিত্য নিকেতন আবাসিক এলাকার সড়কটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাহিত্য নিকেতন আবাসিক এলাকায় এখনো কার্যকর কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে আবাসিক এলাকার বাসাবাড়ি থেকে বের হওয়া পয়ঃনিষ্কাশনের পানি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করছে। অনেক সময় সেই পানি সড়কের ওপর জমে গিয়ে চলাচলও ব্যাহত করছে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ এলাকার পাশেই উপজেলা পরিষদসহ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। কিন্তু আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত ড্রেনেজ না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার বিভিন্ন খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করায় পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে অনেক খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে এবং পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে অনেক ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার না করায় সেগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। ফলে এসব ড্রেন এখন অনেকটা মশা ও রোগজীবাণুর উৎপাদনস্থলে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকার ড্রেন এখন ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে। সময়মতো পরিষ্কার না করায় বৃষ্টির পানি জমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী টিটন দাস বলেন, পৌরসভার ড্রেনগুলো পরিষ্কার করার কাজ চলছে। পাশাপাশি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন সাহিত্য নিকেতন এলাকার বাসিন্দারা। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.