
একাত্তর ডেস্ক ::
সিলেটের সাংবাদিকতা অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হারিস মোহাম্মদ। জীবদ্দশায় তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছেন। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় তিনি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করলেও কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হারিস মোহাম্মদের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মিলাদ মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিকের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সতীর্থ সহকর্মী সাংবাদিক ও পরিবারের সদস্যরা। বক্তারা বলেন, হারিস মোহাম্মদ তাঁর লিখনী, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সিলেটের সাংবাদিকতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সে সময়ের নতুন প্রজন্ম তাকে অনুসরণ করেছেন। বর্তমান প্রজন্মের সাংবাদিকরাও তাঁর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করলে উপকৃত হবেন। বক্তারা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সহ-সভাপতি ও উত্তর পূর্ব পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সজল ঘোষ, ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সিলেটভিউ ডটকমের সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক শাহ দিদার আলম নবেল।
এ সময় ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রাজিব রাসেল, ক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক ও ইউএনবির নিজস্ব প্রতিবেদক মোহাম্মদ মহসীন, দৈনিক শ্যামল সিলেটের সিনিয়র রিপোর্টার আতিকুর রহমান নগরী, উত্তরপূর্ব পত্রিকার সাব-এডিটর ফয়জুল আহমদসহ ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রয়াত হারিস মোহাম্মদের স্ত্রী জ্যোৎস্না আক্তার, মেয়ে খাদিজাতুল কুবরা, ছেলে আব্দুল্লাহ হারিস পাশা, মেয়ে জামাতা রাশিক ইসলাম ও নিকটাত্মীয় আজিজ সাকি উপস্থিত ছিলেন। শেষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
আমাদের সম্পর্কে মো. নজরুল ইসলাম কর্তৃক বিসমিল্লাহ অফসেট প্রিন্টিং প্রেস লালদীঘিরপার, সিলেট থেকে মৃদ্রিত ও বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর, সিলেট খেকে প্রকাশিত। সম্পাদক : চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম। যোগাযোগ -কার্যালয় : ফিজা টাওয়ার, বিসিক শিল্পনগরী. গোটাটিকর, সিলেট ই-মেইল(বিজ্ঞাপন): barta.ekattor@gmail.com, ekattor.ad@gmail.com ফোন:+৮৮০১৭৬৬১২১২৯৫, +৮৮০১৭১১৯৪০৫০৯
Copyright © 2026 দৈনিক একাত্তরের কথা. All rights reserved.