একাত্তর ডেস্ক ::
সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন। ১৯ মে পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে নগরীর ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৬৮ হাজার ৫৫০ শিশুকে এক ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সিলেট নগরভবনে আয়োজিত এক উদ্বুদ্ধকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
তিনি বলেন, নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। হাম ও রুবেলার মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ ক্যাম্পেইন সফল করতে নগরের শিক্ষক, এনজিও কর্মী, ওয়ার্ড সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। অনেক সময় সচেতনতার অভাবে শিশুরা টিকা থেকে বঞ্চিত হয়। তাই অভিভাবকদের সচেতন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম এবং ডা. ফজলুল কাদের কর্মসূচি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ২০ এপ্রিল থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে হাম–রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। পূর্বে টিকা গ্রহণ করে থাকলেও কিংবা হাম বা রুবেলায় আক্রান্ত হয়ে থাকলেও এই বয়সসীমার প্রতিটি শিশুকে ক্যাম্পেইনের আওতায় এক ডোজ এমআর টিকা নিতে হবে।
তিনি জানান, টিকা গ্রহণের জন্য ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে ইপিআই ভ্যাকসিনেশন অ্যাপ (VAXEPI) এর মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করা যাবে। তবে নিবন্ধন ছাড়া সরাসরিও টিকাকেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়া সম্ভব।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত টিকাকেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা শিশুদের বিদ্যমান স্থায়ী ও অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে। কোনো কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকা নিতে না পারা শিশুরাও নিকটবর্তী টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ করতে পারবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।



















