স্টাফ রিপোর্ট
সিলেটে বিদ্যুৎ সংকটজনিত লোডশেডিং কমাতে এবং ব্যবসার সময় নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন।
সোমবার বিকেলে নগর ভবন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, বিশেষ করে বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সময়টিতে লোডশেডিং না করে অন্য সময়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর চেষ্টা করা হবে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে তিনি এ আশ্বাস দেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক বলেন, টানা লোডশেডিংয়ের কারণে নগরবাসী ভোগান্তিতে পড়ছেন। বিদ্যুৎ সংকট বৈশ্বিক হলেও পরিকল্পিত রেশনিংয়ের মাধ্যমে এর প্রভাব অনেকটা কমানো সম্ভব। বিশেষ করে ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা গেলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কমবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, মহানগরের প্রায় ৩১০টি মার্কেট ও বাজারের ব্যবসায়ীরা সম্প্রতি বৈঠক করে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে লোডশেডিং বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন।
প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়ার কারণে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। সোমবার সকালে সিলেটের চার জেলায় ২১৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১৮১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট অনিবার্য হয়ে পড়েছে।
তবে তিনি জানান, প্রশাসনের অনুরোধের পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সময়ভিত্তিক বিদ্যুৎ সরবরাহ সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে যাতে লোডশেডিং কমিয়ে আনা যায়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, নির্বাহী প্রকৌশলী জয়দেব বিশ্বাস, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, পিডিবির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।




















