একাত্তর ডেস্ক : :
গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। সংস্থাটি তাদের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানটি ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের অন্তর্ভুক্ত বলে জানানো হয়েছে।
ডিএইচএস-এর তথ্যানুযায়ী, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি এবং হামলাসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশিরা হলেন—কাজী আবু সাঈদ (ফোর্ট স্কট), শাহেদ হাসান (র্যালি), মোহাম্মদ আহমেদ (বাফেলো), মো. হোসেন (কুইন্স), মাহতাব উদ্দিন আহমেদ (শ্যান্টিলি), নওয়াজ খান (মার্লিন), শাহরিয়ার আবির (পেনসাকোলা), আলমগীর চৌধুরী (মাউন্ট ক্লেমেন্স), ইশতিয়াক রাফি (মানাসাস) এবং কনক পারভেজ (ফিনিক্স)।
এসব অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর নির্যাতন, অবৈধ জুয়া পরিচালনা, অস্ত্র বহন, চুরি, যৌন নিপীড়ন, মাদক বিক্রি, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ডিএইচএস আরও জানিয়েছে, তাদের অধীনস্থ সংস্থা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে প্রায় ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে ৫৬ হাজার ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত।
ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি লরেন বিস এক বিবৃতিতে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে গুরুতর অপরাধে জড়িত বহু অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। তার মতে, এ ধরনের অপরাধীরা জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের দেশ থেকে অপসারণের বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
AD/একাত্তরের কথা



















