ইরানের অর্থনীতির ‘হৃৎপিণ্ড’ বা ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তবে সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ওই হামলার পর গতকাল শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে পাল্টা প্রতিশোধ নিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কম্পানিগুলোর তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোকে পুড়িয়ে ‘ছাই’ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে তেহরান।
খার্গ দ্বীপ উত্তর উপসাগরের একটি ছোট কিন্তু কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল, যা ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ২২ মাইল দূরে অবস্থিত। এই দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ গতকাল ১৫তম দিনে পৌঁছেছে। তৃতীয় সপ্তাহে পা রাখা এই যুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে গতকাল জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাত্জ।
মধ্যপ্রাচ্যের পথে ২,৫০০ মার্কিন স্থল সেনা
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো আড়াই হাজার মার্কিন মেরিন সেনার একটি দল মোতায়েন করা হচ্ছে।
আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলাসং যুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান একটি জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেলকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশটির পেট্রোলিয়াম স্থাপনা লক্ষ্য করে হা



















