স্টাফ রিপোর্ট : :
সাহিত্য কেবল শব্দের বিন্যাস নয়, বরং একটি জাতির চিন্তা, অনুভূতি ও বাস্তবতার প্রতিফলন। নিয়মিত চর্চা ও পাঠাভ্যাসের মাধ্যমেই সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা।
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য-সংস্কৃতি সংগঠন কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ-এর ১২৬৫তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে এ অভিমত উঠে আসে। বক্তারা বলেন, নবীনদের বড় লেখক হওয়ার আগে বড় পাঠক হওয়া জরুরি। পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত না হলে সাহিত্যচর্চা পূর্ণতা পায় না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেমুসাসের সাহিত্য আসর কক্ষে অনুষ্ঠিত এ আসরে সভাপতিত্ব করেন সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক কথাসাহিত্যিক কামরুল আলম। সঞ্চালনায় ছিলেন ছড়াকার আব্দুস সামাদ অয়ন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় কবি ফায়সাল আইয়ূব। আলোচনায় অংশ নেন সাধারণ সম্পাদক সেলিম আউয়াল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, কার্যকরী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামাল তৈয়ব এবং ফাহিমা বেগম নিপা।
আলোচকরা বলেন, সময়ের পরিবর্তনে প্রকাশভঙ্গি বদলালেও সাহিত্যের মূল চেতনা ধরে রাখতে হবে। তরুণ লেখকদের বাস্তবতা, সংগ্রাম ও স্বপ্নকে সাহিত্যে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়।
আসরের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন কবি আদীল আনোয়ার। এরপর একাধিক লেখক তাদের রচনা পাঠ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন এ বি এম হাসান চৌধুরী, কামাল আহমদ, শাহনুর আলম মাহির, গনেন্দ্র চন্দ্র দেশমুখ, রেজাউল হক, মো. ফজলুর রহমান ফজলু, বাউল মনজিল শাহসহ অনেকে।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন মিলন কান্তি দাস ও সাইফুল ইসলাম। আসরের শেষে লোকমান হাফিজকে সেরা লেখক হিসেবে মনোনীত করা হয়।
AD/একাত্তরের কথা



















