ডেস্ক রিপোর্ট :
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক ডলি বেগম দেশটির ফেডারেল রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েছেন। টরোন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে জয়লাভ করেন তিনি।
এই জয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি-এর নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি কানাডার সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, যা সরকারের নীতিনির্ধারণ ও আইন পাসের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা এনে দেবে।
উপনির্বাচনের প্রেক্ষাপট :
স্থানীয় সময় সোমবার (১৩ এপ্রিল) কানাডার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেল উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। অন্টারিওর ইউনিভার্সিটি–রোসডেল ও স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট এবং কুইবেকের তেরেবোন আসনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য লিবারেলদের মাত্র একটি আসনে জয় প্রয়োজন ছিল, যা ডলি বেগমের জয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়।
ডলি বেগমের পটভূমি :
ডলি বেগমের জন্ম সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারে, মনু নদের তীরে। ছোটবেলায় বাবা রাজা মিয়া ও মা জবা বেগমের সঙ্গে কানাডায় পাড়ি জমান তিনি।
তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে উন্নয়ন প্রশাসন ও পরিকল্পনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার :
ফেডারেল এমপি হওয়ার আগে তিনি অন্টারিও প্রাদেশিক পার্লামেন্টে তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৮ সালে প্রথমবার, ২০২২ সালে দ্বিতীয়বার, সর্বশেষ তৃতীয়বার এমপিপি হিসেবে জয়ী
তিনি কানাডার কোনো আইনসভায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রতিনিধি হিসেবেও পরিচিত।
সামগ্রিক গুরুত্ব :
এই জয়ের ফলে লিবারেল পার্টির আসন সংখ্যা বেড়ে ১৭৪-এ দাঁড়িয়েছে। এতে আগামী ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত স্থিতিশীলভাবে সরকার পরিচালনার পথ আরও সুগম হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডলি বেগমের এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও একটি গর্বের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
AD/ একাত্তরের কথা




















