Ekattorer Kotha
শনিবার , ২৮ মার্চ ২০২৬ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৫ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আলোচিত
  5. ইপেপার
  6. ক্রিকেট
  7. খুলনা
  8. খেলা
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দেশের ভেতরে
  13. প্রবাসের কথা
  14. প্রযুক্তি
  15. প্রেসবক্স

ইরান যুদ্ধ ঘিরে ইসরায়েলে রাজনৈতিক ভাঙন, ‘নিরাপত্তা বিপর্যয়’ আশঙ্কা বিরোধী নেতাদের

                       

মার্চ ২৮, ২০২৬
                   

দশদিক ডেস্ক : : 

ইসরায়েল-এর সঙ্গে ইরান-এর চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ঐক্যে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। বিরোধী নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেশকে এক সম্ভাব্য “নিরাপত্তা বিপর্যয়”-এর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

যুদ্ধের ২৭তম দিনে এক টেলিভিশন বিবৃতিতে মধ্য-ডানপন্থী দল ‘ইয়েশ আতিদ’-এর প্রধান ইয়ার লাপিদ বলেন, “ইসরায়েলের নাগরিকদের সতর্ক করতে চাই—আমরা আরেকটি বড় নিরাপত্তা সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছি।”

তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের সক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে কাজ করছে এবং সরকার সুনির্দিষ্ট কৌশল ও পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই সেনাবাহিনীকে বহুমুখী যুদ্ধে ঠেলে দিচ্ছে। তার মতে, বর্তমানে সেনাসংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম।

এই মন্তব্য আসে সামরিক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির-এর একটি ফাঁস হওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, তিনি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভায় সতর্ক করে বলেন, আইডিএফ “ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে” এবং রিজার্ভ সেনাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত একটি বাধ্যতামূলক নিয়োগ আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি পাওয়া অতি-কট্টরপন্থী ইহুদিদের (আল্ট্রা-অর্থোডক্স) সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দেশের অধিকাংশ নাগরিক সমান সামরিক আইনের পক্ষে থাকলেও, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার জোট সরকারের ভারসাম্য রক্ষায় এ বিষয়ে ধীর অবস্থান নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু নিরাপত্তা মন্ত্রিসভাকে আশ্বস্ত করেছেন যে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। আসন্ন ধর্মীয় উৎসবের ছুটির পর এ সংক্রান্ত আইন পাস হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

সরকারের যুদ্ধ কৌশল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট-ও। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “সরকার কোথাও জিতছে না—না লেবানন, না গাজা। ইরানের ক্ষেত্রেও লক্ষ্য অর্জন অনিশ্চিত রয়ে গেছে।”

এছাড়া বামপন্থী জোটের নেতা ইয়ার গোলান এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট সবার জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন।

সামরিক বাহিনীও সৈন্যসংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছে। সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফি ডেফরিন জানিয়েছেন, বিশেষ করে দক্ষিণ লেবানন সীমান্তে প্রতিরক্ষা জোরদার করতে অতিরিক্ত যুদ্ধসক্ষম সেনার প্রয়োজন রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন বাড়তে থাকলে তা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সামরিক সক্ষমতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

AD/একাত্তরের কথা

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

গোয়াইনঘাটে বালুভর্তি ট্রাক থেকে ৭৬ বস্তা ভারতীয় জিরা উদ্ধার

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন পাইলট উদ্ধারে স্পেশাল ফোর্সের তুমুল অভিযান

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে ব্যাংকের নতুন লেনদেন সময়সূচি কার্যকর

কুলাউড়ায় বৃষ্টির পানিতে ডুবে তিন শিশু নিহত

ঈদে গান-নাটক-সিনেমায় জমজমাট লেজার ভিশনের আয়োজন

স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: ঐক্য ও দেশপ্রেমে গড়তে হবে উন্নত বাংলাদেশ

ঈদের পরও পর্যটক সমাগমে মুখর সিলেটের পর্যটনকেন্দ্র

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার সিলেট আসছেন তারেক রহমান

বানিয়াচংয়ে প্রাচীন কালী মন্দিরে ডাকাতি

সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে চারুবাকের ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন